মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রশিক্ষণ

বিভিন্ন প্রশিক্ষনের তথ্যাবলি

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণঃ

প্রশিক্ষণ সংক্রান্তঃ যুব সমাজকে জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয় সম্পৃক্ত করনের জন্য তাদেরকে উদ্বুদ্ধকরন, জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি মুলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে মানব সম্পদে পরিনত করার লক্ষি্য যুব  উন্নয়ন অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিমণলিখিত ট্রেড সমুহে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অফিসের প্রশিক্ষণঃ

ক) গ্রাম ভিত্তিক মৌলিক প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা)
এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের সদস্য-সদস্যাগণ ভিডিপি সংগঠন সম্পর্কে ধারনা লাভ করেন এবং ভিডিপি প্লাটুনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হন।

প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী

সংশ্লিষ্ট গ্রামের ৩২ জন পুরুষ এবং ৩২ জন মহিলা সমন্বয়ে গঠিত দু’টি প্লাটুনকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

  • গ্রামের সুবিধাজনক স্থানে ১০ (দশ) দিনের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
  • একটি গ্রামে একবার এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
  • প্রশিক্ষণার্থীকে সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণী পাশ হতে হয়।
  • প্রশিক্ষণার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর।
  • প্রশিক্ষণ ভাতা হিসাবে দৈনিক ৯০ টাকা হারে ১০ দিন প্রশিক্ষণে ৯০০ টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়।
  • প্রশিক্ষণ শেষে প্রাপ্ত ৯০০ টাকা থেকে ১০০ টাকা মূল্যের আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ১টি শেয়ার ক্রয় করতে হয়।
  • প্রশিক্ষনার্থীকে প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
  • এক গ্রামের সদস্যকে অন্য গ্রামে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় না।
  • জেলা কমান্ড্যান্ট আর্থিক বছর শুরুর আগেই উপজেলা কর্মকর্তার সুপারিশ মোতাবেক গ্রাম নির্বাচন করেন।
  • এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রামের ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা প্লাটুন সমূহ পুনগঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য সদস্যাগণ ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর সরকারী চাকুরীতে নির্ধারিত ১০% কোটায় আবেদন করার সুযোগ পান।
) সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ (পুরুষ ও মহিলা)
এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে সদস্য ও সদস্যাগণ সাধারণ আনসার হিসেবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হন এবং অংগীভূত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এই প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিন্মরূপঃ
জেলা সদরে প্রাথমিক পর্ব এবং ধারাবাহিকভাবে গাজীপুরের সফিপুর আনসার-ভিডিপি একাডেমীতে চূড়ামত্ম পর্বে এ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কোটা অনুযায়ী সদস্য ও সদস্যা বাছাই করে জেলা কমান্ড্যান্ট এর কার্যালয়ে তালিকা প্রেরণ করেন।
আনসার আইন ১৯৯৫ এবং আনসার বাহিনী প্রবিধানমালা ১৯৯৬এর আলোকে সংশিষ্ট ব্যক্তিকে নিন্মরূপ যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হয়ঃ
ক) বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর।
খ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণী পাশ। তবে এসএসসি বা তদূর্ধ ডিগ্রীধারীগণকে প্রশিক্ষণ গ্রহণে অগ্রাধিকার দেয়া হয়।
গ) উচ্চতাঃ
(১) সর্বনিম্ন ১৬০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৫ ফুট - ৪ ইঞ্চি (পুরুষের ক্ষেত্রে)
(২) সর্বনিম্ন ১৫০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৫ ফুট (মহিলার ক্ষেত্রে)
(৩) বুকের মাপ ৭৫ সেন্টিমিটার হইতে ৮০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৩০ ফুট - ৩২ ইঞ্চি (পুরুষের ক্ষেত্রে)।
(৪) দৃষ্টি শক্তিঃ ৬/৬
সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং চারিত্রিক ও নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট দাখিল করতে হয়।
প্রশিক্ষণকালীন প্রশিক্ষণার্থীদের বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ প্রদান করা হয়।
এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য কোন সদস্যের নিকট হতে কোন অর্থ গ্রহণ করা হয় না।
এ প্রশিক্ষণ সাফল্যজনকভাবে সমাপ্তির পর দেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী কেপিআই/ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় অংগীভূত হয়ে নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বপালন করে।
প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য/সদস্যাগণ দূর্গাপূজা, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য অংগীভূত হয়ে থাকেন।